
মাতাল ঋত্বিক
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা.....
৳ 400.00 Original price was: ৳ 400.00.৳ 300.00Current price is: ৳ 300.00.

সমগ্র বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
Product Specification & Summary
মাতাল ঋত্বিক শামসুর রাহমানের চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন। এ কাব্যগ্রন্থের প্রধান বিষয় প্রেম ও স্মৃতি। এখানকার প্রকাশভঙ্গিতে উন্মত্ততা কম, আছে পরিণত কবির সংহতভাব: ‘আমাকে জাগালে তুমি রুক্ষ অবেলায়, দিলে গান/ অস্তিত্বের তন্তুজালে। অথচ আমি তো জানি গাঢ়/ এই দান ব্যর্থ হবে, যদি নাও বিদায় হঠাৎ।’ মধ্যবয়সী একজন কবি, সময় যাকে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরেছে, মেনে নেওয়াকেই যিনি অবধারিত ধরে নিয়েছেন, তাঁর অনুভূতিকে পাওয়া যাবে এখানে। শুধু তা-ই নয়, নানা অপারগতার চিহ্নও ক্ষণে ক্ষণে ভেসে ওঠে এখানকার নানা কবিতায়। অনুভূতির তীক্ষ্ণভাব দূরে সরে গেলে অপারগ শিল্পীর মাঝে যে হাহাকার জন্ম নেয়, এখানকার কবিতাগুলোতে কান পাতলে সে হাহাকারের শব্দ পাওয়া যায়।
Name:
Category:
Author:
Edition:
ISBN
No of Page:
Language
Publisher
নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানা থেকে আরেকটু ভেতরে মেঘনাপাড়ের গ্রাম পাড়াতলী। কবি শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস। তবে জন্মেছিলেন ঢাকা শহরের ৪৬ নম্বর মাহুতটুলির বাড়িতে। তারিখ ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর। দশ ভাইবোনের মধ্যে জেষ্ঠ্য তিনি। ১৯৪৮ সালে যখন তার বয়স মাত্র ১৯ বছর তখন মননের গহীন তল্লাটে কবিতার যে আবাদভূমি গড়ে উঠেছিল, তা কেবল উর্বরই হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে নলিনী।কিশোর গুহের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতা। তারপর দে ছুট। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পেয়েছেন আদমজী পুরস্কার (১৯৬৩), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৯), একুশে পদক (১৯৭৭), সাংবাদিকতার জন্যে পেয়েছেন জাপানের মিৎসুবিশি পদক (১৯৯২), ভারতের আনন্দ পুরস্কার (১৯৯৪) ছাড়াও বহু পুরস্কার। ডিলিট উপাধিতেও ভূষিত হয়েছেন। ‘মর্নিং নিউজ’-এ সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে ১৯৫৭ সালে যে চাকরি জীবন শুরু করেছিলেন, একই পেশায় থেকে ১৯৮৭ সালে দৈনিক বাংলার সম্পাদক পদ থেকে তিনি চাকরিতে ইস্তফা দিয়েছেন, তবু খেই হারাননি জীবন, সাহিত্য ও কবিতার পাঠ থেকে। মূলত কবি হলেও সাহিত্যে তাঁর কাজ বহুমাত্রিক। অনুবাদ সাহিত্য থেকে গদ্যের বিভিন্ন প্রশাখায় বিচরণ করেছেন তিনি। ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট ৭৬ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।