
সমরেশ বসু রচনাবলী ১০
Category:   পশ্চিমবঙ্গের বই: রচনাসমগ্র ও সংকলন
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা.....
৳ 3,000.00 Original price was: ৳ 3,000.00.৳ 2,500.00Current price is: ৳ 2,500.00.

সমগ্র বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
Product Specification & Summary
কে যেন বলেছিলেন সমরেশ বসু বাংলা সাহিত্যের রাজপুত্র। ছিদ্রান্বেষীরা এই মন্তব্যকে অতিশয়োক্তি বলে মনে করতে পারেন। কিন্তু একথা কি অস্বীকার করা যাবে, সাহিত্যে তিনি ছিলেন বনস্পতির মতো এক বিশাল প্রতিভা! প্রতিকূলকে অনুকূল করে তোলার সংগ্রামী মনোভাব নিয়ে অতি সাধারণ স্তর থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠার শিখরে। তাঁর সাহিত্য যেমন বিষয়-বৈচিত্র্যে বিভিন্ন সময়ে বাঁক নিয়েছে প্রবহমান নদীর মতো, তাঁর জীবনও সেইরকম বিচিত্ৰপদে এগিয়ে গিয়েছিল বেঁচে থাকার রং ছড়াতে ছড়াতে। জীবন নিয়ে তীব্র কোনও নৈতিকতা বা আদর্শের আদিখ্যেতা ছিল না তাঁর। জীবনাচরণে, বেঁচে থাকার ধরনে তিনি ছিলেন পুরোপুরি স্বভাবস্বতন্ত্র। জীবন ও সাহিত্য এক হয়ে গিয়েছিল বলেই সমরেশের সৃষ্টিতে কোনও ফাঁকি ছিল না। নিজেই এক জায়গায় লিখেছেন: ‘সাহিত্যের যা কিছু দায়, সে তো জীবনেরই কাছে। সাহিত্যের থেকে জীবন বড়, এ সত্যের জন্য, সাহিত্যিককে গভীর অনুশীলন করতে হয় না, তা সততই অতি জীবন্ত। ' রক্তমাংসের নারীপুরুষ, যারা সব অর্থেই মৃত্তিকাসংলগ্ন, তারাই এসেছে তাঁর সাহিত্যের টানাপড়েনে। কাউকে তিনি বাদ দেননি, ফেরাননি। মানুষের তল খুঁজতে শরীরী সম্পর্ককে বিশ্বাস করেছেন তিনি। ফলে তাঁকে প্রতিমুহূর্তে ভুল বোঝার সম্ভাবনা। সমরেশ বিশ্বাস করতেন, জীবনকে সাপটে ধরতে হলে কেবল জীবনশিল্পী হলেই চলে না, হতে হয় জীবনশিকারি। সমরেশ যেন ছিলেন তাই। জীবনশিল্পী, জীবনশিকারি সমরেশের সাহিত্য জীবনের সূচনা ‘নয়নপুরের মাটি থেকে। যদিও তাঁর প্রথম ছাপা উপন্যাস ‘উত্তরঙ্গ’। এই দশম খণ্ডে গৃহীত হয়েছে লেখকের আটটি উপন্যাস — ‘অয়নান্ত’, ‘আঁখির আলোয়’, ‘ভানুমতীর নবরঙ্গ’, ‘যাত্রিক’, ‘অবচেতন', ‘ছুটির ফাঁদে’, ‘যার যা ভূমিকা' এবং ‘একটি অস্পষ্ট স্বর’। এ ছাড়া রয়েছে ছ'টি গল্পগ্রন্থ— ‘দেওয়াল লিপি’, ‘সুবৰ্ণা’, ‘আটাত্তর দিন পরে’, ‘পাপ-পুণ্য’ ‘আইন নেই' এবং ‘বিকেলে শোনা’। এই উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্য দিয়ে লেখকের মধ্যবিত্ত জীবন সম্পর্কিত অভিজ্ঞতার পরিপূর্ণ ও বিচিত্র প্রকাশ। এই খণ্ডের ভূমিকায় তাঁর এই পরিচয়টিকে অনবদ্য বিশ্লেষণে পরিস্ফুট করেছেন অধ্যাপক সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কে যেন বলেছিলেন সমরেশ বসু বাংলা সাহিত্যের রাজপুত্র। ছিদ্রান্বেষীরা এই মন্তব্যকে অতিশয়োক্তি বলে মনে করতে পারেন। কিন্তু একথা কি অস্বীকার করা যাবে, সাহিত্যে তিনি ছিলেন বনস্পতির মতো এক বিশাল প্রতিভা! প্রতিকূলকে অনুকূল করে তোলার সংগ্রামী মনোভাব নিয়ে অতি সাধারণ স্তর থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠার শিখরে। তাঁর সাহিত্য যেমন বিষয়-বৈচিত্র্যে বিভিন্ন সময়ে বাঁক নিয়েছে প্রবহমান নদীর মতো, তাঁর জীবনও সেইরকম বিচিত্ৰপদে এগিয়ে গিয়েছিল বেঁচে থাকার রং ছড়াতে ছড়াতে। জীবন নিয়ে তীব্র কোনও নৈতিকতা বা আদর্শের আদিখ্যেতা ছিল না তাঁর। জীবনাচরণে, বেঁচে থাকার ধরনে তিনি ছিলেন পুরোপুরি স্বভাবস্বতন্ত্র। জীবন ও সাহিত্য এক হয়ে গিয়েছিল বলেই সমরেশের সৃষ্টিতে কোনও ফাঁকি ছিল না। নিজেই এক জায়গায় লিখেছেন: ‘সাহিত্যের যা কিছু দায়, সে তো জীবনেরই কাছে। সাহিত্যের থেকে জীবন বড়, এ সত্যের জন্য, সাহিত্যিককে গভীর অনুশীলন করতে হয় না, তা সততই অতি জীবন্ত। ' রক্তমাংসের নারীপুরুষ, যারা সব অর্থেই মৃত্তিকাসংলগ্ন, তারাই এসেছে তাঁর সাহিত্যের টানাপড়েনে। কাউকে তিনি বাদ দেননি, ফেরাননি। মানুষের তল খুঁজতে শরীরী সম্পর্ককে বিশ্বাস করেছেন তিনি। ফলে তাঁকে প্রতিমুহূর্তে ভুল বোঝার সম্ভাবনা। সমরেশ বিশ্বাস করতেন, জীবনকে সাপটে ধরতে হলে কেবল জীবনশিল্পী হলেই চলে না, হতে হয় জীবনশিকারি। সমরেশ যেন ছিলেন তাই। জীবনশিল্পী, জীবনশিকারি সমরেশের সাহিত্য জীবনের সূচনা ‘নয়নপুরের মাটি থেকে। যদিও তাঁর প্রথম ছাপা উপন্যাস ‘উত্তরঙ্গ’। এই দশম খণ্ডে গৃহীত হয়েছে লেখকের আটটি উপন্যাস — ‘অয়নান্ত’, ‘আঁখির আলোয়’, ‘ভানুমতীর নবরঙ্গ’, ‘যাত্রিক’, ‘অবচেতন', ‘ছুটির ফাঁদে’, ‘যার যা ভূমিকা' এবং ‘একটি অস্পষ্ট স্বর’। এ ছাড়া রয়েছে ছ'টি গল্পগ্রন্থ— ‘দেওয়াল লিপি’, ‘সুবৰ্ণা’, ‘আটাত্তর দিন পরে’, ‘পাপ-পুণ্য’ ‘আইন নেই' এবং ‘বিকেলে শোনা’। এই উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্য দিয়ে লেখকের মধ্যবিত্ত জীবন সম্পর্কিত অভিজ্ঞতার পরিপূর্ণ ও বিচিত্র প্রকাশ। এই খণ্ডের ভূমিকায় তাঁর এই পরিচয়টিকে অনবদ্য বিশ্লেষণে পরিস্ফুট করেছেন অধ্যাপক সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়।
Name:
সমরেশ বসু রচনাবলী ১০
Category:
Author:
Edition:
৩য় মুদ্রণ, ২০১৪
ISBN
9788177565270
No of Page:
Language
Publisher